থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার মধ্যকার সীমান্ত সংঘর্ষ ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। যুদ্ধবিমান, ট্যাংক ও স্থলবাহিনীর তীব্র সংঘাতে দুই দেশের বহু প্রাণহানি ঘটেছে এবং বিপুল সংখ্যক মানুষ ঘরছাড়া হয়েছে।
গত দুই দিন ধরে চলা সংঘাতে থাইল্যান্ডের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত অন্তত ১৫ জন নিহত হয়েছেন—যার মধ্যে ১৪ জন বেসামরিক নাগরিক এবং ১ জন সেনা সদস্য। আহতের সংখ্যা ৪৬ জন, যাদের মধ্যে রয়েছেন ১৫ জন সেনাসদস্য। অপরদিকে, কম্বোডিয়ার সীমান্তবর্তী ওদ্দার মিনচে এলাকায় সংঘর্ষে এক বৃদ্ধ নিহত হন এবং আরও পাঁচজন আহত হন।
সংঘাতের মাত্রা এতটাই ভয়ংকর যে, থাইল্যান্ড ইতোমধ্যে সীমান্তবর্তী অঞ্চল থেকে প্রায় ১ লাখ ৩৮ হাজারের বেশি মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিয়েছে।
এই পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে, জাতিসংঘে নিযুক্ত কম্বোডিয়ার প্রতিনিধি ছিয়া কেও নিরাপত্তা পরিষদের এক গোপন বৈঠকে অবিলম্বে নির্বিচারে ও শর্তহীন যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানান। তিনি বলেন,
“আমরা চাই যুদ্ধ বন্ধ হোক—তা যেন আর এক মুহূর্তও দেরি না হয়। এ সংঘাতের স্থায়ী ও শান্তিপূর্ণ সমাধান প্রয়োজন।”
এদিকে, জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ দ্রুত সংকট নিরসনে আলোচনায় বসেছে। থাইল্যান্ডও শান্তিপূর্ণ সমাধানে আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে।
আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় বর্তমানে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, যাতে দুই দেশ উত্তেজনা কমিয়ে ফের আলোচনার পথে ফিরে আসে এবং এশিয়ার এই অস্থির পরিস্থিতির অবসান ঘটে।
মন্তব্য করুন
খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, রূপান্তর প্রতিদিন এর দায়ভার নেবে না।