খুলনায় প্রত্নতাত্ত্বিক খননে আবিষ্কৃত নিদর্শনের ভিত্তিতে
খুলনা বিভাগীয় জাদুঘরের সেমিনার কক্ষে প্রত্নতাত্ত্বিক খননে আবিষ্কৃত নিদর্শনের ভিত্তিতে খুলনা জেলার ইতিহাস পুনর্গঠন পর্যালোচনা শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। গত শুক্রবারের এ সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) সাবিনা আলম, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত সচিব, প্রধান (এঊউ), বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন বদরে মুনির ফেরদৌস।
বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (শিক্ষা ও আইসিটি) দেব প্রসাদ পাল। সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন খুলনার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম। আলোচক হিসেবে উপস্থিত থেকে উপস্থাপিত প্রবন্ধের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন বিশিষ্ট প্রত্নতাত্ত্বিক লেখক ও গবেষক, প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের প্রাক্তন আঞ্চলিক পরিচালক মোহা. মোশাররফ হোসেন, খুলনা সরকারি মহিলা কলেজের বাংলা বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর শংকর কুমার মল্লিক, জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান। প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর খুলনার আঞ্চলিক পরিচালক লাভলী ইয়াসমিন। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ঐতিহ্য ও প্রত্নানুরাগী সংস্কৃতিসেবী প্রত্নানুরাগী ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করে উপস্থাপিত প্রবন্ধের আলোকে মূল্যবান মতামত প্রকাশ করে সেমিনারকে সমৃদ্ধ করেন। প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের বিভিন্ন গ্রেডের কর্মকর্তাগণ সরাসরি ও ভার্চয়াল প্লাটফর্মে অংশগ্রহণ করে সেমিনারের আয়োজনকে সাফল্যমন্ডিত করে তোলেন।
সেমিনারে প্রধান কার্যালয় সহ বিভিন্ন আঞ্চলিক দপ্তর থেকে বিভিন্ন স্তরের কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। জাতিতাত্ত্বিক জাদুঘরের উপপরিচালক কাম কীপার ড. মো: আমিরুজ্জামান, প্রত্মসম্পদ উপপরিচালক রাখী রায়, চট্রগ্রাম ও সিলেট বিভাগের আঞ্চলিক পরিচালক ড. নাহিদ সুলতানা, সহকারী পরিচালক মো: মহিদুল ইসলাম, হালিমা আফরোজ অংশ নেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন খুলনা আঞ্চলিক দপ্তরের সহকারী পরিচালক জনাব মো: গোলাম ফেরদৌস।
মন্তব্য করুন
খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, রূপান্তর প্রতিদিন এর দায়ভার নেবে না।