সহিংসতার আরও দুই মামলায় খালাস পেলেন ইমরান

আগের সংবাদ

এবার বিচ্ছেদ হলো অর্জুন-মালাইকার

পরের সংবাদ

নিয়ন্ত্রণে আসছে না বগুড়ার মসলার বাজার

প্রকাশিত: মে ৩১, ২০২৪ , ৫:০৯ অপরাহ্ণ আপডেট: মে ৩১, ২০২৪ , ৫:০৯ অপরাহ্ণ

বগুড়ায় প্রশাসনের অভিযান চললেও নিয়ন্ত্রণে আসছে না মসলার বাজার। কোরবানির ঈদ সামনে রেখে বাড়তি চাহিদাকে পুঁজি করে বেড়েই চলছে সব ধরনের মসলার দাম। আমদানি বাড়লেও বিভিন্ন অজুহাতে বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে এসব মসলা। বিশেষ করে সাদা ও কালো এলাচ, জিরা এবং আদা-রসুনের দামের উত্তাপে পুড়ছে বগুড়ার মসলার বাজার।

এদিকে বাজার নিয়ন্ত্রণ রাখতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বার বার অভিযান চালানো হচ্ছে। গত বৃহস্পতিবার বগুড়ার ফতেহ আলী বাজার ও রাজাবাজারের পাইকারি ও খুচরা মসলার দোকানে অভিযান করেছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ মেহেদী হাসান। এই অভিযান দুই দোকানে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। মূল্যতালিকা হালনাগাদ না করা ও আমদানিকৃত বিভিন্ন মসলার ডকুমেন্টস প্রদর্শন করতে না পারায় এই জরিমানা করা হয়।

এসসয় জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ মেহেদী হাসান বাংলাদেশ প্রতিদিনকে জানান, কোনো ধরনের মসলার মজুদ করে বাজারে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে দেয়া হবে না। আমাদের অভিযান চলমান থাকবে।

আজ রোববার (২৬ মে) বগুড়ার ফতেহ আলী ও রাজা বাজারসহ বেশকিছু বাজার ঘুরে দেখা যায়, সাদাএলাচ মানভেদে প্রতিকেজি দুই হাজার ৮শ’ থেকে সাড়ে চার হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গত কয়েক মাসের ব্যবধানে কেজিপ্রতি দাম বেড়েছে এক হাজার টাকা পর্যন্ত। কালোএলাচের কেজি দুই হাজার ৭শ’ টাকা। কেজিতে দাম বেড়েছে ২শ’ টাকা পর্যন্ত।

জিরা ৬শ’ টাকা কেজি থেকে বেড়ে ৭৫০ টাকা, লবঙ্গ এক হাজার ৭শ’ টাকা, দারুচিনি ৫৫০-৬শ’ টাকা, গুলমরিচের কেজিতে ২শ’ টাকা পর্যন্ত দাম বেড়ে ৯শ’ থেকে এক হাজার টাকা এবং বজ ৯শ’ টাকা, ধনিয়ার কেজি ২শ’ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

আদার দাম বেড়ে ২১০ থেকে ২২০ ও রসুন ১৮০ থেকে ২১০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। পেঁয়াজের কেজিতে ৫ টাকা পর্যন্ত দাম বেড়ে ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়াও হলুদের গুড়ার কেজিতে ৫০ টাকা পর্যন্ত দাম বেড়ে ৩৫০ টাকা এবং মরিচের গুড়া ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

বগুড়ার রাজা বাজারের মসলা বিক্রেতা আব্দুস সালাম বলেন, কোরবানি ঈদের আগে সাধারণত মসলার দাম বাড়ে। মূলত বাড়তি চাহিদাকে পুঁজি করে এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট করে এই দাম বৃদ্ধির কারসাজি করেন।

তিনি আরও বলেন, মসলা আমদানি নির্ভর পণ্য হওয়ায় মূলত আমদানিকারক ও পাইকারি ব্যবসায়ীরাই এসব পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণ করেন, যার প্রভাব পড়ে খুচরা পর্যায়ে।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, রূপান্তর প্রতিদিন এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়