যখন পুরো দেশজুড়ে শিশুদের করুণ মৃত্যুতে শোকাহত মানুষ, তখন উত্তরার কিচেন হাউস রেস্টুরেন্ট অ্যান্ড বার সহ একাধিক বারে চলছে উদ্দাম নাচ-গান, মদের স্রোত আর তরুণ-তরুণীদের বেপরোয়া আড্ডা।
সরেজমিনে দেখা গেছে, পারমিট ছাড়াই চলছে মদের বিক্রি ও সেবন। অনেকেই কোনো ধরনের অনুমতি ছাড়াই প্রবেশ করছে এসব বারে। রাত ১০টা থেকে ভোর ৩টা পর্যন্ত বাজছে উচ্চস্বরে গান, আর মদের বোতল হাতে নাচছে মাদকসেবীরা। নিয়ম অনুযায়ী, সন্ধ্যা ৫টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত বার খোলা থাকার কথা থাকলেও বাস্তবে চলছে ভিন্ন চিত্র।
রাত ৩টার পর বন্ধ হয়ে গেলেও খুলে যায় আরেকটি অন্ধকার জগৎ— বিভিন্ন আবাসিক হোটেলে চালু হয় মিনি পতিতালয়। অভিযোগ রয়েছে, এসব কর্মকাণ্ডের পেছনে প্রশাসনের কিছু সদস্যও নীরব সহযোগিতা দিচ্ছেন।
কিচেন হাউস বারের জি.এম বাবুর সঙ্গে কথা বললে তিনি বলেন, “বারের মালিকরা অনেক প্রভাবশালী। কেউ আমাদের কিছু করতে পারবে না। প্রতি মাসে প্রায় ২০ লাখ টাকা চাঁদা দিয়েই সব ম্যানেজ করি।”
উল্লেখ্য, সরকার ২০২২ সালে ‘অ্যালকোহল নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা’ জারি করলেও এর বাস্তব প্রয়োগ প্রশ্নবিদ্ধ। বিধিমালায় ২১ বছরের নিচে কারও মদ পানের অনুমতি নেই এবং নির্দিষ্ট নিয়মে পরিবহন ও বিক্রির কথা বলা হয়েছে।
এ বিষয়ে মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উত্তরার পরিদর্শক দেওয়ান জিল্লুর জানান, “বিষয়গুলো আমরা খতিয়ে দেখছি এবং যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।