আশাশুনির মহিষাডাঙ্গায় সরকারী গাছ বিক্রয়ের অভিযোগ

আগের সংবাদ

পাইকগাছার লতায় বেতাঙ্গী নদী অবৈধ দখল মুক্ত করার দাবীতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত

পরের সংবাদ

আশাশুনির তেঁতুলিয়া নদী ভাঙ্গন স্থান পরিদর্শণে ইউএনও কৃষ্ণা রায়

প্রকাশিত: আগস্ট ১৩, ২০২৫ , ৯:৩১ অপরাহ্ণ আপডেট: আগস্ট ১৩, ২০২৫ , ৯:৩১ অপরাহ্ণ

আশাশুনি উপজেলার কাদাকাটি ইউনিয়নের তেঁতুলিয়া হামিউচ্ছুন্নাহ কওমিয়া ও হাফিজিয়া মাদ্রাসা এবং সংলগ্ন চড় জামে মসজিদ ভয়াবহ নদী ভাঙনের কবলে পড়েছে। বুধবার বিকেলে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কৃষ্ণা রায়।

স্থানীয়রা জানান, ২০০৩ সালে প্রতিষ্ঠিত এ মাদ্রাসা ও মসজিদ মরিচ্চাপ নদীর চর ভরাটি এলাকায় গড়ে ওঠে। নদী খননের সময় ভরাট এলাকা এড়িয়ে ভাঙন অংশে খনন করায় বছর না ঘুরতেই পুনরায় ভাঙন শুরু হয়। এক মাস আগে ভাঙনের লক্ষণ দেখা দেয় এবং এক সপ্তাহ আগে প্রায় ২০-২৫ হাত বাঁধ নদীতে বিলীন হয়ে যায়।

গ্রামবাসী স্বেচ্ছাশ্রমে শতাধিক বাঁশ দিয়ে পাইলিং করলেও বুধবার দুপুর নাগাদ সেটিও ভেঙে যায়। বর্তমানে মসজিদের গা ঘেঁষে ভাঙন পৌঁছেছে, ইমামের বাসা ঝুঁকির মুখে এবং মাদ্রাসাও হুমকির মধ্যে রয়েছে। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে মসজিদ, মাদ্রাসা ও আশপাশের বহু ঘরবাড়ি নদীগর্ভে হারিয়ে যাবে বলে আশঙ্কা করছে স্থানীয়রা।

উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব জাকির হোসেন বাবুর আমন্ত্রণে এবং কাদাকাটি ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক জহির উদ্দীনের উদ্যোগে ইউএনও কৃষ্ণা রায় ভাঙন এলাকা ঘুরে দেখেন। তিনি পরিস্থিতির ভয়াবহতা দেখে উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।

এসময় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতাকর্মী, মসজিদের ইমাম, মাদ্রাসার শিক্ষক ও এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন। জহির উদ্দীন জানান, ভাঙন রোধে সবসময় স্থানীয়দের পাশে আছেন এবং ইউএনওর মাধ্যমে জেলা প্রশাসকের সহযোগিতা নিয়ে জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণের চেষ্টা চালানো হবে।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, রূপান্তর প্রতিদিন এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়