বিগত কয়েক দশক ধরেই দেশে দারিদ্র্য বিমোচনে বেশ সফল। করোনা মহামারিতেও বাংলাদেশের সামগ্ৰিক অর্থনীতির সূচকগুলোর অর্জন ভালো।
তবে অর্থনৈতিক বৈষম্য দিন দিন বাড়ছে। যেটা ভালো নিদর্শন নয়। উন্নয়ন সমতাভিত্তিক হচ্ছে না। সমতাভিত্তিক উন্নয়ন না হলে তা টেকসই হয় না।
মঙ্গলবার (১৭ অক্টোবর) ‘শোভন কাজ ও সামাজিক সুরক্ষা, সকলের জন্য সমান মর্যাদা ‘ শীষক এক আলোচনা সভার মূল প্রবন্ধে এই তথ্য জানানো হয়।
মঙ্গলবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া মিলনায়তনে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এডাবের ভাইস-চেয়ারম্যান মাজেদা শওকত আলীর সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. আতিউর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন, দৈনিক ভোরের কাগজের সম্পাদক ও জাতীয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শ্যামল দত্ত, এডাবের কোষাধ্যক্ষ মাসুদা ফারুক রতœা ও ইকোনোমিক্স রিপোর্টার্স ফোরামের সাবেক সভাপতি শারমিন রিনভী।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন বিএমএসএফের সভাপতি এনামুল কবীর রুপম। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এডাবের পরিচালক কাউসার আলম কনক। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন এডাবের পরিচালক একেএম জসীম উদ্দিন।
লিখিত বক্তব্যে আরো বলা হয়, এখন আমরা শুধু প্রবৃদ্ধি দেখছি, সুষম বণ্টন দেখছি না। অন্যদিকে উন্নয়নকে সুশাসন ও গণতন্ত্র থেকে আলাদা করে দেখা ঠিক নয়। উন্নয়ন ও গণতন্ত্র অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। গণতন্ত্র ছাড়াও বিশ্বের কিছু দেশে উন্নয়ন হয়েছে। কিন্তু সে উন্নয়ন টেকসই ও সমতাভিত্তিক নয়। সেখানে শুধু বস্তুনির্ভর প্রবৃদ্ধি ও ভোগবাদের প্রসার ঘটেছে।
প্রবন্ধে সামগ্রিক উন্নয়নে দারিদ্র্য বিমোচন কর্মসুচিতে নতুন কৌশল নেয়া, সর্বস্তরে সুশাসন প্রতিষ্ঠা, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি জোরদার করা, শিশুর সামাজিক সুরক্ষা, নারীর ক্ষমতায়ন, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় লাগসই ব্যবস্থা নেয়া, সরকারি বেসরকারি কার্যক্রমে সমন্বয় বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়।
মন্তব্য করুন
খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, রূপান্তর প্রতিদিন এর দায়ভার নেবে না।